পশ্চিম ত্রিপুরার সিধাইয়ের সীমান্ত গ্রাম দক্ষিণ ঈশানপুরের নন্দলাল দাসপাড়ায় রবিবার সকালে চাঞ্চল্য ছড়ায়, যখন তিনজন বাংলাদেশি চোর সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে। গ্রামবাসীদের তৎপরতায় দুইজনকে আটক করা সম্ভব হলেও, একজন পালিয়ে বাংলাদেশে ফিরে যায়। আটক দুইজনকে গ্রামবাসীরা গণপিটুনি দিয়ে পরে বিএসএফের হাতে তুলে দেয়। গ্রামবাসীরা বিএসএফের নজরদারির ঘাটতি এবং এলাকায় বিদ্যুৎ সংক্রান্ত সমস্যার বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
BulletsIn
-
রবিবার সকালে নন্দলাল দাসপাড়ার এক কৃষক তিনজন অপরিচিত ব্যক্তিকে জঙ্গলে লুকাতে দেখেন।
-
কৃষকটি বিষয়টি গ্রামবাসীদের জানান, এবং সবাই মিলে অভিযানে নামেন।
-
গ্রামবাসীরা গোটা এলাকা ঘেরাও করে তিনজনকে প্রায় আধাকিলোমিটার ধাওয়া করে।
-
তিনজনের মধ্যে একজন পালিয়ে বিএসএফের নজর এড়িয়ে বাংলাদেশে ফিরে যায়।
-
বাকি দুই চোরকে গ্রামবাসীরা ধরে বেধড়ক মারধর করে।
-
পরে বিএসএফ ঘটনাস্থলে এসে দুই চোরকে ক্ষুব্ধ জনতার হাত থেকে উদ্ধার করে।
-
গ্রামবাসী সমরজিৎ দাস অভিযোগ করেন, বিএসএফের নজরদারির অভাবেই বারবার চোরেরা প্রবেশ করছে।
-
চোরেরা কাঁটাতারের বেড়া কেটে বা বেড়ার উপর দিয়ে ঢুকছে বলে তিনি জানান।
-
তিনি বলেন, যদি চোরেরা শনিবার সন্ধ্যায় ঢুকেও থাকে, তাহলে সকাল পর্যন্ত প্রায় ১২ ঘণ্টা তারা গ্রামে ছিল, কিন্তু বিএসএফের কোনও পদক্ষেপ দেখা যায়নি।
-
তিনি আরও অভিযোগ করেন, বছরের ৯ মাস গ্রামে বিদ্যুৎ থাকে না, সন্ধ্যার পর পুরো গ্রাম অন্ধকারে ডুবে যায়, যার ফলে চোরেরা সহজেই ঢুকে পড়ে। প্রশাসনের কাছে ২৪ ঘণ্টা বিদ্যুতের দাবি জানিয়েছেন তিনি।
