কলকাতা, ১৯ জুন (হি. স.) : বিধানসভার অধিবেশনে বিরোধী সদস্যরা বক্তব্য রাখবেন অথচ জবাবী ভাষণের সময়েই আসন থেকে উঠে চলে যাবেন তাদের সকলেই। সভা ছেড়ে পুরোপুরিভাবে নিজেদের ঘরে চলে যান। ইদানিংকালে এই ছবি ধরা পড়েছে বিরোধীদের। কার্যতঃ তারা সভায় অনুপস্থিত – এটা সংসদীয় গণতন্ত্রে কাম্য নয়। বৃহস্পতিবার এর পরিপ্রেক্ষিতেই নতুন রুলিং দিয়েছেন অধ্যক্ষ। নবম দিনের সভায় দ্বিতীয়ার্ধে – দ্য ওয়েস্ট বেঙ্গল সেলস ট্যাক্স (সেটলমেন্ট অফ ডিসপিউট) (সংশোধনী) বিল, ২০২৫ নিয়ে আলোচনাতে যোগদান করে বক্তব্যও রাখেন বিরোধীরা। যদিও বিজেপি সদস্যদের বক্তব্য এদিন কার্যবিবরণী থেকে বাদ দিয়েছেন অধ্যক্ষ বিমান বন্দোপাধ্যায়। এর পরিপ্রেক্ষিতেই নতুন করে বিতর্ক দানা বেঁধেছে। সাম্প্রতিক অতীতে এমন কিন্ত ঘটনা বিরল। জবাবী ভাষণে বিভাগীয় মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য সভায় বলেন, সভা শেষ না হতে বিরোধী দলের বক্তারা দল বেঁধে সভা ছেড়ে চলে যাচ্ছেন। এতে হৈ চৈ সৃষ্টি হয়েছে ট্রেজারি বেঞ্চেই। পরিষদীয় মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ও অধ্যক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে এই ব্যবস্থা বদল করতে হস্তক্ষেপ চেয়েছেন। এই প্রসঙ্গে অধ্যক্ষ বলেন, বিরোধীরা মর্যাদা পর্যন্ত রক্ষা করছে না। সভা থেকে বাইরে চলে গিয়েই বা কি লাভ! বিরোধীদের জন্যই তো সভা ও আলোচনা। অথচ, নিজেদের বক্তব্য রেখেই তাদের সকলে বাইরে চলে যাচ্ছেন। জবাবী ভাষণ না শুনেই চলে যাচ্ছেন। এ নিয়ে জোরদার আপত্তি ও তোলা হয়েছে এবং কাজেই এদিনের বক্তব্য কার্য বিবরণী থেকে সরকার পক্ষের তরফে বাদ দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর ফলশ্রুতিতেই, রুলিং দিয়েছেন বিধানসভায় অধ্যক্ষ। যদিও এ নিয়ে পক্ষপাতিত্বের ফের অভিযোগ তুলেছে বিজে’পি। দলের মুুখ্য সচেতক ডঃ শঙ্কর ঘোষ বলেন, শাসকদলের পক্ষেই এমন সিদ্ধান্ত।
হিন্দুস্থান সমাচার / শুভদ্যুতি দত্ত
