২০২৫ সালে আমেরিকান পরিবারগুলো বিদ্যুৎ বিলে অদ্ভুত এক ধাক্কা খেল। কম বিদ্যুৎ ব্যবহার করেও বিল দ্বিগুণ অঙ্কে বেড়ে গেল। এর পেছনে কারণ ছিল “Capacity Auctions” – এক গোপন ব্যবস্থা, যার মাধ্যমে সাধারণ ভোক্তাদের কাছ থেকে বড় টেক কোম্পানির AI ডেটা সেন্টারের বিপুল বিদ্যুতের চাহিদা মেটাতে টাকা আদায় হচ্ছে। একে বলা হচ্ছে “Hidden AI Tax”।
BulletsIn
-
আমেরিকায় বৈপরীত্য – বিদ্যুৎ ব্যবহার ৬–৭% কমলেও গৃহস্থালি বিল ১৫–২০% বেড়েছে।
-
Capacity Market ব্যাখ্যা – বিদ্যুৎকেন্দ্রকে শুধু উৎপাদনের জন্য নয়, “স্ট্যান্ডবাই” অবস্থায় থাকার জন্যও অর্থ দেওয়া হয়।
-
অভূতপূর্ব বৃদ্ধি – PJM অঞ্চলে ২০২৪ সালে $28/MW-day থেকে ২০২৬ সালে $329/MW-day এ পৌঁছেছে।
-
AI ডেটা সেন্টারের বিদ্যুৎ ক্ষুধা – GPT-4, GPT-5 মডেল ট্রেনিংয়ের জন্য হাজার হাজার GPU সারাদিন চলে। একেকটা ডেটা সেন্টার ছোট শহরের সমান বিদ্যুৎ খরচ করে।
-
গৃহস্থালির উপর চাপ – অতিরিক্ত খরচ সবাইকে ভাগ করে দেওয়া হয়েছে, ফলে পরিবারগুলোকে “Hidden AI Tax” বহন করতে হয়েছে।
-
ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট – ২০১৮–২১ পর্যন্ত দাম স্থিতিশীল, ২০২২–২৪ এ একেবারে কম, কিন্তু ২০২৫ থেকে রকেটের মতো বেড়ে গেল।
-
অন্যান্য কারণ – কয়লা ও গ্যাস প্লান্ট বন্ধ, নবায়নযোগ্য প্রকল্পে বিলম্ব, কঠোর বাজারের নিয়ম।
-
ভারতের আলাদা মডেল – এখানে DISCOM দীর্ঘমেয়াদী চুক্তিতে বিদ্যুৎ কেনে। গৃহস্থালিকে ভর্তুকি দেওয়া হয়, শিল্প গ্রাহকদের থেকে বেশি দাম নেওয়া হয়।
-
ভারতে ডেটা সেন্টার বৃদ্ধি – ২০১৯ সালে ৩৫০ MW থেকে ২০২৪ সালে ১০০০ MW, এবং ২০২৬ সালে ১৮০০ MW হতে পারে। প্রধান কেন্দ্র – মুম্বাই, হায়দরাবাদ, নয়ডা, চেন্নাই।
-
সমাধান ও সুযোগ – ডেটা সেন্টারকে ১০০% নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ বাধ্যতামূলক করা, অতিরিক্ত খরচ শিল্প থেকে নেওয়া, স্মার্ট গ্রিড ও ব্যাটারি সিস্টেম তৈরি করা, এবং তরুণদের নীতি নির্ধারণে অংশগ্রহণ।
