– রাষ্ট্রধর্ম পত্রিকার শ্রী রাম মন্দির প্রাণ প্রতিষ্ঠার বিশেষ সংখ্যার উদ্বোধন
অযোধ্যা, ১৯ জানুয়ারি (হি.স.)। রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের সহ-সরকার্যবাহ ডাঃ কৃষ্ণ গোপাল শুক্রবার এখানে তুলসী উদ্যানে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রধর্ম মাসিক পত্রিকার শ্রী রাম মন্দির প্রাণ প্রতিষ্ঠা বিশেষ সংখ্যার উদ্বোধন করেন। এ উপলক্ষ্যে ডাঃ কৃষ্ণ গোপাল বলেন, রাম মন্দিরের মত আন্দোলন পৃথিবীর কোথাও হয়নি। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর হিন্দু সম্প্রদায় আশা করেছিল আমাদের ভেঙে যাওয়া মন্দিরগুলো আমরা ফেরত পাব, কিন্তু আমরা যখন রাম, কৃষ্ণ, শিবের মন্দিরও ফিরে পাইনি, তখন আমাদের প্রতিবাদ করতে হয়। যুবকরা রাম মন্দিরের জন্য করসেবা করেছিলেন। সৃষ্টি হল সুন্দর ইতিহাস। আজ রামের খ্যাতি সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে।
ডাঃ কৃষ্ণ গোপাল বলেন, প্রচেষ্টা ও সাহসিকতার কারণে আজ একটি সোনালী দিন। হিন্দুদের একের পর এক সেনা রাম জন্মভূমিতে আসত এবং আত্ম বলি দিত। তিনি বলেন, আজ কিছু মানুষ রামের প্রমাণ চায়। আজ কোটি কোটি মানুষ তাদের মনে রাম নাম স্থির করে রেখেছে। এর চেয়ে বড় প্রমাণ আর কি হতে পারে? রামের নামে শহর ও গ্রামের নামকরণ করা হয়েছে। রাম জনজীবনে একাত্ম হয়েগেছেন। রাম হয়ে গেছে এদেশের বিবেক।
তিনি বলেন, রাম মন্দির আন্দোলন সমাজকে একটি দৃষ্টি দেয়। স্বাধীনতার পর যখন আমরা রাম মন্দির ফিরে পাইনি, তখন হিন্দু সম্প্রদায়কে রাজপথে আসতে হয়েছে। হাজার বছরের সংগ্রামের সময় ছিল। পৈশাচিক শক্তি হিন্দু সমাজের চিহ্ন মুছে দিতে চেয়েছিল। হাজার হাজার মন্দির ধ্বংস হয়। লক্ষাধিক মানুষ নিহত হয় এবং কোটি কোটি মানুষ ধর্মান্তরিত হয়। তখনকার অবস্থা ছিল ইসলাম গ্রহণ কর নতুবা মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত হও। এমন সময়ে হিন্দু সমাজ সাধুদের চরণে গেল। অসহায় হিন্দু সমাজের পাশে দাঁড়িয়েছিল সন্ত সমাজ।
রাষ্ট্রধর্ম সম্পাদক ডঃ ওমপ্রকাশ পান্ডে বলেছেন, এই বিশেষ সংখ্যাটি সম্পূর্ণরূপে রাম মন্দির আন্দোলনকে উৎসর্গ করা হয়েছে। এ সংখ্যায় আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী সাধক, সিনিয়র প্রচারক ও আন্দোলন সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা উল্লেখ করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন রাষ্ট্রধর্মের ব্যবস্থাপক ডাঃ পবন পুত্র বাদল। তিনি বলেন, এর আগে অযোধ্যা নিয়ে নেতিবাচক আলোচনা তৈরির চেষ্টা করা হত । বলা হত অযোধ্যা হাসতে পারে না। সারা বিশ্বের চোখ আজ অযোধ্যার দিকে। সবাই অযোধ্যায় আসতে আগ্রহী।
রাষ্ট্রধর্মের ডিরেক্টর ইনচার্জ সর্বেশ চন্দ্র দ্বিবেদী, রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের সহ-ক্ষেত্র প্রচার প্রমুখ মনোজকান্ত, ইতিহাস সংকলন কমিটির জাতীয় সহ-সংগঠন মন্ত্রী সঞ্জয়, পাঞ্চজন্যের প্রাক্তন সম্পাদক তরুণ বিজয়, শ্রী রাম আশ্রমের মহন্ত জয়রাম দাস মহারাজ, ৫২ মন্দিরের মহন্ত বৈদেহী বল্লভ শরণ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। মহারাজ ও সংঘের সহক্ষেত্র প্রমুখ মনোজ, প্রান্ত প্রচার প্রমুখ ডাঃ অশোক দুবে, সামাজিক সম্প্রীতির রাজ্য প্রধান রাজ কিশোর।–হিন্দুস্থান সমাচার / কাকলি
