
বিষ্ণুপুর, ৯ নভেম্বর (হি. স.) : আয় বহির্ভূত সম্পত্তির অভিযোগে বিষ্ণুপুরের বিধায়ক তন্ময় ঘোষের পরিবারের চালকলে চলছে আয়কর তল্লাশি । ঘটনার পর প্রায় ২৪ ঘণ্টা অতিক্রান্ত হতে চলল। কিন্তু এখনও আয়কর দফতরের এই তল্লাশি অভিযান চলছে। এখনও এলাকা ঘিরে রেখেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী।
বাঁকুড়া জেলার বিষ্ণুপুরের চূড়ামনিপুর এলাকায় বিধায়ক তন্ময় ঘোষের পরিবারের একটি চালকলে বুধবার আয়কর দফতরের আধিকারিকরা হানা দিয়েছে। পাশাপাশি অভিযান চলে বিধায়কের মদের দোকানেও। এছাড়া তাঁর নামে থাকা একটি লজেও হানা দিয়েছে আয়কর দফতর। বুধবার ১২টার কিছু পরে আয়কর দফতর ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর একাধিক গাড়ি এসে দাঁড়ায় বিষ্ণুপুরের বিধায়ক তন্ময় ঘোষের কার্যালয়ে। মুহূর্তের মধ্যে তাঁর অফিস ঘিরে ফেলে কেন্দ্রীয় বাহিনী। শুরু হয় আয়কর তল্লাশি। একইসঙ্গে জানা যায় ওই একই সময়ে বিষ্ণুপুর শহর লাগোয়া চূড়ামণিপুর এলাকায় অবস্থিত তন্ময় ঘোষের পারিবারিক চালকলেও অভিযানে নামে আয়কর আধিকারিকরা। চালকলটির নাম শিবাণী রাইস মিল। এছাড়াও বিধায়ক ও তাঁর পরিবারের নামে রয়েছে একটি লজও। সেখানেও আয়কর অভিযান চলে। পাশাপাশি পারিবারিক ব্যবসা হিসেবে রয়েছে মদের একটি দোকানও। তাতেও তল্লাশি অভিযান চালায় আধিকারিকরা। বুধবার সন্ধে সাতটা নাগাদ বিধায়কের চালকল-সহ বাকি জায়গাগুলি থেকে তদন্তকারী আধিকারিকরা বেরিয়ে গেলেও পরিবারের মালিকানাধীন চালকলে এখনও তল্লাশি চলছে। প্রায় একদিন পেরোতে চলল, তাও ভিতর থেকে বেরোননি ওই আধিকারিকরা। চাল কলের কোনও কর্মীকে ঢুকতে বা বেরোতে দেওয়া হয়নি।কেন কী কারণে এই তল্লাশি। তা এখনও জানা যায়নি। তল্লাশি চলাকালীন লজ, রাইস মিল ও মদের দোকানের কর্মীদেরও ফোন বাজেয়াপ্ত করেছে আয়কর আধিকারিকরা।এখনও কেন্দ্রীয় বাহিনী এলাকা ঘিরে রেখেছে।
সূত্রের খবর, তদন্তকারী অফিসাররা রাইস মিলের হিসাব সংক্রান্ত নথিপত্র খতিয়ে দেখছেন। এর পাশাপাশি ওই রাইস মিলের ভারপ্রাপ্ত আধিকারিকদেরও দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। এছাড়াও ওখানে হিসাব বহির্ভূত কোনও লেনদেন হয়েছে কিনা, তা জানার জন্যেই প্রায় ২৪ ঘণ্টা পরেও আয়কর দফতরের আধিকারিকরা তল্লাশি চালাচ্ছেন। উল্লেখ্য,
হিন্দুস্থান সমাচার / কাকলি
