কলকাতা, ১০ অক্টোবর (হি.স.): আগরতলায় গিয়ে ত্রিপুরার রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা না করেই ফিরতে হল বঙ্গ তৃণমূল প্রতিনিধিদের। এই খবরে খুশি নেটনাগরিকদের সিংহভাগ।
খবরটি প্রকাশ্যে আসার পর অজস্র প্রতিক্রিয়া এসেছে সামাজিক মাধ্যমে। দেবাশিস ভট্টাচার্য লিখেছেন, “ছিঃ কুণাল!” জয় চৌধুরী লিখেছেন, “নাটকের পার্টিকে ফেরত পাঠিয়ে দিয়েছে ত্রিপুরার মানুষ!” মিতালি চক্রবর্তী লিখেছেন, “পশ্চিমবঙ্গের অতি বুদ্ধিমান কিছু মানুষ ছাড়া এদের কেউ কোথাও পোঁছে না!”
শ্যামল কুমার বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছেন, “বিশাল সাফল্য ত্রিপুরায়। এবার সরকার গড়ার মুখে।” রাজেশ ধর লিখেছেন, “পশ্চিমবঙ্গের বাইরে যে পিসি ভাইপো প্রাইভেট লিমিটেডের কোনও অস্তিত্ব নেই,ওখানে যাদের লড়াইটা হয় মূলত নোটার সাথে,ওদের দলীয় পতাকা কেউ বা কারা খুলে ফেলে দিয়ে ছিল সেগুলো তোলার জন্য একজনও কর্মী-সমর্থক দেখা যায়নি। শেষে কলকাতা থেকে চাটার্ড ফ্লাইটে গিয়ে ৬ জনের যাত্রাপালার লোকদের পাঠিয়ে ওগুলো তুলতে হল তাদের কার্যালয়ে শাসকদল হামলা চালাতে যাবে কোন দুঃখে শুনি? ওটা ত্রিপুরার রাজনীতিতে যদি একটু অন্তত প্রাসঙ্গিক হওয়া যায় সেই ভাবনা থেকেই ভাড়াটে লোক দিয়ে নিজেরাই করিয়েছে নাটক করার উদ্দেশ্যে।”
সঞ্জয় সরকার লিখেছেন, “ওরা ইচ্ছে করে কেলানি খেতে গেছিলো। যাথে বলতে পারে বিজেপি মেরেছে। বাংলার সাংসদকে মারার ঘটনা ধামাচাপা দিতে গেছিলো। গিয়ে কিছুই হলো না। তোদের বা..কেউ চেনেই না, মারা তো দূরের কথা।” প্রশান্ত সেনগুপ্ত লিখেছেন, “চোর্কুনাল ফিরল কেন? তদন্ত হোক। ও কোথাও গেলে কিছু না ঝারা পর্যন্ত ফেরেনি। এই জন্যই ওর দলীয় নাম ‘চোরকুমার’।”
অমিতাভ ঘোষ লিখেছেন, “পরের পর শুধুই ‘ঘোষেদের’ বদনাম হয়েই চলেছে। ভাবছিলাম পদবিটাই তো একমাত্র পৈতৃক। কত স্বনামধন্য মানুষ আছেন এই পদবির। কিন্ত এরা সেটারও … দিল।”
—————
হিন্দুস্থান সমাচার / মৌসুমী সেনগুপ্ত
