এই প্রবন্ধ “From Stadium Cheers to Tariff Tears” এ ভারত–আমেরিকা সম্পর্কের উত্থান-পতনের কাহিনি বর্ণনা করা হয়েছে। ২০২0 সালে আহমেদাবাদের মোতেরা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত “নমস্তে ট্রাম্প” ছিল দুই দেশের বন্ধুত্বের প্রতীক। কিন্তু 2025 সালে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারতের রপ্তানির ওপর 50% শুল্ক (tariffs) বসানোয় সেই বন্ধুত্বেই ভাঙন দেখা দিয়েছে। নিচে প্রবন্ধের মূল বিষয়গুলো বাংলায় তুলে ধরা হলো –
BulletsIn
-
নমস্তে ট্রাম্প 2020 – আহমেদাবাদের ঐতিহাসিক সমাবেশ ভারত–আমেরিকা সম্পর্কে নতুন অধ্যায় সূচনা করেছে বলে মনে করা হয়েছিল।
-
বন্ধুত্বের প্রতিশ্রুতি – ট্রাম্প ভারতকে “সত্যিকারের বন্ধু” বলে উল্লেখ করেছিলেন, আর মোদী আমেরিকাকে সবচেয়ে বিশ্বস্ত সঙ্গী হিসেবে তুলে ধরেছিলেন।
-
2025 সালের শুল্কের ধাক্কা – ভারতীয় রপ্তানির ওপর 50% ট্যারিফ আরোপে প্রায় 60 বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
-
শিল্পখাতে প্রভাব – টেক্সটাইল, হীরা শোধন, সামুদ্রিক খাদ্য, চামড়া ও হস্তশিল্প শিল্প সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
-
শ্রমিকদের দুঃখ – শ্রম-নির্ভর শিল্পে সবচেয়ে বড় ধাক্কা লেগে লক্ষ লক্ষ শ্রমিকের জীবিকা বিপন্ন হয়েছে।
-
ট্রাম্পের কঠোর মন্তব্য – রাশিয়া থেকে সস্তায় তেল কিনে ভারত যুদ্ধকে পরোক্ষভাবে সমর্থন দিচ্ছে বলে ট্রাম্প অভিযোগ করেছেন।
-
চীনের সঙ্গে তুলনা – চীনের হাতে আমেরিকার জবাব দেওয়ার ক্ষমতা ছিল, কিন্তু ভারতের সেই ক্ষমতা না থাকায় সে আরও দুর্বল অবস্থায় পড়েছে।
-
মিত্র নাকি বলির পাঁঠা? – আমেরিকা ভারতকে সত্যিকারের কৌশলগত সঙ্গী হিসেবে দেখে, নাকি কেবল নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করে – এই প্রশ্ন জেগে উঠেছে।
-
ভারতের প্রতিক্রিয়া – ভারত সরকার ওয়াশিংটনে লবিং শুরু করেছে, ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য, আসিয়ান, আফ্রিকার মতো নতুন বাজার খুঁজছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত শিল্পগুলির জন্য সহায়ক প্যাকেজ ঘোষণা করেছে।
-
আত্মনির্ভর ভারতের প্রয়োজন – কেবল এক দেশের ওপর নির্ভর করা বিপজ্জনক। উচ্চ প্রযুক্তিনির্ভর রপ্তানি বাড়িয়ে অর্থনৈতিক আত্মনির্ভরতা অর্জন করাই এখন সময়ের দাবি।
