অসমে ভারী বৃষ্টি ও ঝড়ের কারণে তীব্র দুর্যোগ চলছে। অধিকাংশ জেলায় ‘রেড অ্যালার্ট’ ও কিছু জেলায় ‘অরেঞ্জ অ্যালার্ট’ জারি করা হয়েছে। বিশেষ করে গুয়াহাটি মহানগরী জলাবদ্ধতা ও প্লাবিত হওয়ার কারণে স্বাভাবিক জীবন কঠিন হয়ে পড়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেছে এবং সরকারি অফিসগুলিতে কর্মচারীদের আগেভাগেই ছুটি দেওয়া হচ্ছে। আগামী দিনগুলোতেও বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকার পূর্বাভাস রয়েছে।
BulletsIn
-
অসমের অধিকাংশ পশ্চিম ও দক্ষিণাঞ্চলীয় জেলায় বৃহস্পতিবার থেকে অবিরাম ভারী বৃষ্টি হয়েছে।
-
কাছাড়, শ্রীভূমি, হাইলাকান্দি, ধুবড়ি, দক্ষিণ শালমারা-মানকাচর, গোয়ালপাড়া সহ অনেক জেলায় ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি করা হয়েছে।
-
কামরূপ মেট্রোপলিটন, কামরূপ, দরং, ওদালগুড়ি, মরিগাঁও, নগাঁও, হোজাই, কার্বি আংলং, গোলাঘাট ও শোণিতপুর জেলায় ‘অরেঞ্জ অ্যালার্ট’ জারি রয়েছে।
-
রেড অ্যালার্ট জারিকৃত জেলাগুলিতে ৪০-৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো বাতাসের সম্ভাবনা ও অতি ভারী বৃষ্টিপাতের সতর্কতা রয়েছে।
-
অরেঞ্জ অ্যালার্ট এলাকায় বজ্রপাত এবং ৩০-৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
-
বৃহস্পতিবার থেকে গুয়াহাটির প্রায় সব এলাকা জলাবদ্ধ হয়ে পড়েছে, অনেক স্থানে জলস্তর কোমর পর্যন্ত পৌঁছেছে।
-
পাঞ্জাবাড়ি, ছয়মাইল, রুক্মিণীগাঁও, হাতিগাঁও, অনিলনগর, তরুণনগর, চাঁদমারি, বশিষ্ঠের মতো এলাকাগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত।
-
জিএস রোড, খ্রিস্টানবস্তি, গণেশগুড়ি, নারেঙ্গি, বামুনিমৈদাম, লক্ষ্মীনাথ বোজবরুয়া চক, পুরনো ও নতুন ভিআইপি রোড সহ বিস্তীর্ণ এলাকার প্রধান সড়ক জলের তলে ডুবে গেছে।
-
বাজারহাট ফাঁকা এবং জনজীবন ব্যাহত, এসডিআরএফ রবার নৌকা দিয়ে উদ্ধার কাজ চালাচ্ছে।
-
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দ্রুত বন্ধ হয়ে গেছে, সরকারি অফিসগুলোতেও কর্মচারীদের বিকালেই ছুটি দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
