আগরতলা, ২৩ সেপ্টেম্বর (হি.স.) : কেবলমাত্র পূজা দেওয়ার জন্যই গোমতী জেলার উদয়পুরে ত্রিপুরা সুন্দরী মন্দিরে এসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। মঙ্গলবার বিধানসভায় কংগ্রেস বিধায়ক বীরজিৎ সিনহার একটি প্রশ্নের উত্তরে এই কথা জানান মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডাঃ) মানিক সাহা। এদিন তিপ্রা মথা বিধায়ক পাঠানলাল জমাতিয়া এবং বিশ্বজিৎ কলই একই প্রশ্ন উত্থাপন করেন। তাঁরা জানান, যার নামে পূজা হয় তাঁকেই মন্দির উদ্বোধনে আমন্ত্রণ জানানো হল না।
নবরাত্রির প্রথম দিন সোমবার ‘প্রসাদ’ প্রকল্পে নতুন কলেবরে সাজিয়ে তোলা সতীর একান্নপীঠের অন্যতম ত্রিপুরা সুন্দরী মন্দিরের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। প্রধানমন্ত্রী মন্দিরে পূজা দিয়ে এর উদ্বোধন করেন। প্রধানমন্ত্রীর এই অনুষ্ঠানে শরিক দল সহ বিরোধী দলের বিধায়কদের আমন্ত্রণ জানানো হয়নি বলে বিভিন্ন অভিযোগ উঠতে থাকে। মঙ্গলবার বিধানসভার অধিবেশনেও সংশ্লিষ্ট বিষয়টি তোলেন কংগ্রেস বিধায়ক বীরজিৎ সিনহা। তিনি তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, মন্দির উদ্বোধন হয়েছে, কার্যত শাসকদলের জন্যই এই অনুষ্ঠান ছিল।কিন্তু প্রধানমন্ত্রী সবার। প্রধানমন্ত্রী কোন দলের নয়।
কংগ্রেস বিধায়ক বীরজিৎ সিনহার এই ক্ষোভ প্রশমনে মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডাঃ) মানিক সাহা বিধানসভায় বলেন, ‘প্রসাদ’ প্রকল্পে ত্রিপুরা সুন্দরী মন্দিরকে নতুন কলেবরে সাজিয়ে তোলা হয়েছে। এই মন্দিরকে ধর্মীয় পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে দেশের সামনে তুলে ধরতে চাই আমরা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এই মন্দিরে পূজা দিতেই এসেছিলেন। তিনি আরও জানান, পূজা দেওয়া ছাড়া প্রধানমন্ত্রী একটি কথাও বলেননি। এমনকি সাংবাদিক সম্মেলন পর্যন্ত করেননি।
এদিন এই বিষয়টিকে নিয়ে বিধানসভায় প্রশ্ন তোলেন তিপ্রা মথার বিধায়ক পাঠানলাল জমাতিয়া। তিনি ক্ষোভ ব্যক্ত করে বলেন, যার নামে মন্দিরে পূজা হয় তাকেই মন্দির উদ্বোধনে আমন্ত্রণ জানানো হল না। মথা বিধায়ক বিশ্বজিৎ কলইও এদিন বিধানসভায় সংশ্লিষ্ট বিষয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
হিন্দুস্থান সমাচার / গোবিন্দ দেবনাথ
