নারী শিক্ষার গুরুত্ব সমাজের উন্নয়নে অপরিসীম। নারীরা শিক্ষিত হলে সমাজ, রাজ্য, এবং দেশ সামগ্রিকভাবে অগ্রসর হয়। এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে রাজ্য সরকার শিক্ষা ক্ষেত্রে বিভিন্ন উদ্ভাবনী প্রকল্প গ্রহণ করেছে। শঙ্করাচার্য দ্বাদশ শ্রেণি বালিকা বিদ্যায়তনের হীরক জয়ন্তী উৎসবে মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাঃ মানিক সাহা এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের উপর আলোকপাত করেন।
BulletsIn
- নারী শিক্ষার গুরুত্ব: সমাজের অগ্রগতির জন্য নারী শিক্ষার অপরিহার্যতা তুলে ধরা হয়।
- রাজ্য সরকারের ভূমিকা: শিক্ষার প্রসারে বহুমুখী প্রকল্প গ্রহণ করেছে রাজ্য সরকার।
- প্রতিষ্ঠানের ইতিহাস: ১৯৬৫ সালের ১৫ জানুয়ারি বিষ্ণুপুরীজী পরমহংসদেব মহারাজ এই বিদ্যায়তন প্রতিষ্ঠা করেন।
- শিক্ষার্থীদের সাফল্য: রাজ্য, দেশ, এবং আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে শিক্ষা, খেলাধুলা, এবং সংস্কৃতিতে প্রতিষ্ঠানটির সুনাম।
- গুণগত শিক্ষার সম্প্রসারণ: রাজ্যে পিএম-শ্রী স্কুল এবং ১২৫টি বিদ্যাজ্যোতি বিদ্যালয় চালু করা হয়েছে।
- একক পাঠক্রম: রাজ্যে এনসিইআরটি পাঠ্যক্রম এবং অভিন্ন প্রশ্নপত্র চালু করা হয়েছে।
- জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নতুন শিক্ষানীতি গুণগত শিক্ষা প্রসারে সহায়তা করছে।
- সমাজসেবায় সমর্থন: অনুষ্ঠানে সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
- অতিথিদের অংশগ্রহণ: অনুষ্ঠানে বিভিন্ন প্রশাসনিক ও শিক্ষাক্ষেত্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্বদের উপস্থিতি।
- রাজ্য সরকারের লক্ষ্যমাত্রা: শিক্ষার প্রসার ও মানোন্নয়নে নিরবচ্ছিন্ন প্রচেষ্টা।
