অসম বিধানসভায় রাজ্যের স্বশাসিত পরিষদগুলির নির্বাচন বিলম্বিত হলে রাজ্যপালকে দায়িত্ব প্রদান সংক্রান্ত সংশোধনী বিল ধ্বনি ভোটে পাস হয়েছে। এই বিলের মাধ্যমে নির্বাচিত পরিষদগুলির মেয়াদ বৃদ্ধির পরও যদি নির্বাচন অসম্ভব হয়ে ওঠে, তাহলে রাজ্যপালকে কার্যকারিতা গ্রহণের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
BulletsIn
- বিধানসভায় পাস – বাজেট অধিবেশনের অষ্টম দিনে সংশোধনী বিল ধ্বনি ভোটে পাস হয়।
- স্বশাসিত পরিষদগুলির মেয়াদ বৃদ্ধি – নির্বাচিত পরিষদগুলির মেয়াদ সর্বোচ্চ এক বছর পর্যন্ত বাড়ানো যাবে।
- রাজ্যপালের ক্ষমতা বৃদ্ধি – মেয়াদ শেষ হলেও নির্বাচন সম্ভব না হলে রাজ্যপাল পরিষদের কার্যকারিতা গ্রহণ করতে পারবেন।
- বিল উত্থাপন – জনজাতি বিষয়ক মন্ত্রী ডা. রণোজ পেগু বিলটি বিধানসভায় পেশ করেন।
- বিরোধীদের আপত্তি – বিরোধীরা দাবি করেন যে, অধ্যাদেশের মাধ্যমে এই ব্যবস্থা নেওয়া যেত, আইন সংশোধনের প্রয়োজন ছিল না।
- কংগ্রেসের বিরোধিতা – কংগ্রেস বিধায়ক দেবব্রত শইকিয়া ও আবদুর রশিদ মণ্ডল বিলটিকে স্বশাসিত পরিষদগুলির ক্ষমতা হ্রাসকারী বলে মন্তব্য করেন।
- AIUDF ও নির্দলীয় বিধায়কের মতামত – AIUDF বিধায়ক রফিকুল ইসলাম ও নির্দলীয় বিধায়ক অখিল গগৈ বিল নিয়ে আলোচনা করেন।
- সম্পর্কিত পরিষদসমূহ – মিসিং, বড়ো কছারি, থেঙ্গাল কছারি, দেউরি, সনোয়াল কছারি, রাভা হাসং ও তিওয়া অটোনোমাস কাউন্সিল এই সংশোধনী বিলে অন্তর্ভুক্ত।
- প্রয়োজনীয়তার যুক্তি – সরকার পক্ষের মতে, নির্বাচন না হলে প্রশাসনিক সমস্যা সৃষ্টি হবে, তাই বিল প্রয়োজনীয়।
- প্রস্তাবের সম্ভাব্য প্রভাব – বিরোধীদের মতে, এই সংশোধন স্বশাসিত পরিষদগুলির ক্ষমতা দুর্বল করে দেবে এবং রাজ্যপালের ওপর নির্ভরতা বাড়াবে।
