বীরভূম, ২৫ অক্টোবর (হি.স.): দশমীর মধ্যরাতে ১৪ নম্বর জাতীয় সড়কে বীৎভূমের সিউড়ি আবদার এলাকা থেকে এক বিবাহিতা ও তাঁর পুরুষ বন্ধুকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, মৃত মহিলার নাম প্রিয়া দাস।
অচিন্ত্য দাস নামে গৃহবধূর স্বামী জানালেন, দশমীর রাতে পাড়ার প্যান্ডেলে এক সঙ্গে বসেছিলেন তাঁরা। তাঁর স্ত্রীও সঙ্গে ছিলেন। ওই বন্ধুও ছিলেন। যে যুবকের সঙ্গে তাঁর স্ত্রী বেরিয়েছিলেন, তিনি তাঁর স্কুলের বন্ধু। রাতে প্রত্যেকেই মদ্যপান করেন, তারপর হাইওয়ের ধারে চা পানের পরিকল্পনা করেছিলেন। স্বামীকে রেখে বন্ধুর বাইকেই চা খেতে বেরিয়েছিলেন ওই মহিলা।
অচিন্ত্যবাবু জানান, তিনি তাঁর স্ত্রীকে দাঁড়াতে বলেছিলেন। কিন্তু তা সত্ত্বেও তিনি না দাঁড়িয়ে বন্ধুর সঙ্গে বেরিয়েছিলেন। রাত দেড়টা নাগাদ স্বামীর কাছে ফোন করেন মহিলার বন্ধু শেখ আসরাফুল। তিনি জানান, দুর্ঘটনা ঘটেছে। ফোন পেয়ে যতক্ষণে তাঁরা ঘটনাস্থলে পৌঁছন, আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতালে গেলে চিকিৎসকরা জানান, মহিলার মৃত্যু হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছেন, মহিলার ব্যাগ থেকে নেশার ট্যাবলেট উদ্ধার হয়েছিল। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান পথ দুর্ঘটনার জেরেই এই ঘটনা। যদিও পরিবারের লোক দুর্ঘটনার তত্ত্ব মানতে নারাজ। এর পিছনে অন্য কোনও কারণ থাকতে পারে বলে মনে করছেন তাঁরা। ঘটনায় সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। তাঁদের দাবি মেরে ফেলা হয়েছে মেয়েকে।
এদিকে, দুর্ঘটনায় আহত মহিলার বন্ধুর বক্তব্য, যে জায়গায় দুর্ঘটনাটি ঘটেছে, সেখানকার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখলেই বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে যাবে।
হিন্দুস্থান সমাচার/ অশোক
