
গুয়াহাটি, ২৮ অক্টোবর (হি.স.) : আজ শনিবার জাতীয় রোজগার মেলায় ভিডিও কনফারেন্সিঙের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বিভিন্ন সরকারি বিভাগ ও সংস্থায় নতুন নিয়োগপ্রাপ্তদের মধ্যে ৫১ হাজারের বেশি নিয়োগপত্র বিতরণ করেছেন। সমগ্র দেশ থেকে নির্বাচিত নতুন নিয়োগপ্রাপ্তরা ভারত সরকারের অধীনে বিভিন্ন মন্ত্রকে বিভিন্ন পোস্টে যোগদান করবেন। নতুন নিয়োগপ্রাপ্তরা কর্মযোগী প্রারম্ভ-এর মাধ্যমে নিজেদের প্রশিক্ষিত করার সুযোগ লাভ করবেন, যা iGOT কর্মযোগী পোর্টালের একটি অনলাইন মডিউল, যেখানে ‘এনিহোয়্যার এনিডিভাইস’ লার্নিং ফর্ম্যাটের জন্য ৭৫০-এর অধিক ই-লার্নিং কোর্স উপলব্ধ করা হয়েছে।রোজগার মেলায় প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ দেশের ৩৭টি স্থানের সঙ্গে সংযুক্ত হয়েছিল।
উত্তরপূর্ব সীমান্ত রেলওয়ের দ্বারা উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রোজগার মেলা গুয়াহাটি, শিলিগুড়ি ও ডিমাপুরে অনুষ্ঠিত হয়েছে। গুয়াহাটির মালিগাঁওয়ে গুয়াহাটির সাংসদ কুইন ওজা, গুয়াহাটির মেয়র মৃগণ শরণিয়া ও বরিষ্ঠ রেলওয়ে আধিকারিকদের উপস্থিতিতে নবনির্বাচিত প্রার্থীদের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেন কেন্দ্রীয় বন্দর, নৌপরিবহণ ও জলপথ এবং আয়ুষ মন্ত্রী সর্বানন্দ সনোয়াল। পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক এবং শ্রম ও নিয়োগ মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী রামেশ্বর তেলি ডিমাপুরে প্রার্থীদের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেন। ভারত সরকারের স্বরাষ্ট্র, ক্রীড়া ও যুব কল্যাণ মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী নিশিথ প্রামাণিক শিলিগুড়িতে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রার্থীদের মধ্যে নিয়োগপত্র বিতরণ করেন।
বিভিন্ন বিভাগে ৫১,০০০-এর অধিক নিয়োগপত্রের মধ্যে রেলওয়েতেই ১৪ হাজারের বেশি। গুয়াহাটিতে ১০১টি, ডিমাপুরে ১১০টি এবং শিলিগুড়িতে ৬৮টি নিয়োগপত্র নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত প্রার্থীদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে আজ।
গুয়াহাটিতে ভাষণ দিতে গিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত তরুণ-তরুণীদের অভিনন্দন জানিয়ে আত্মনির্ভর ভারত তৈরি করার জন্য তাঁদের নিষ্ঠার সাথে কঠোর পরিশ্রম করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, যুবসমাজের মধ্যে রোজগার মেলা একটি নতুন উদ্যম সৃষ্টি করবে। এছাড়া রোজগার মেলা আয়োজনের জন্য উত্তরপূর্ব সীমান্ত রেলওয়েকেও তিনি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
নিয়োগ সৃষ্টির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি পূরণ করার একটি পদক্ষেপ হলো এই রোজগার মেলা। রোজগার মেলা আরও নিয়োগ সৃষ্টির ক্ষেত্রে একটি অনুঘটক হিসেবে কাজ করবে এবং যুব সমাজের ক্ষমতায়ন ও তাদের জাতীয় উন্নয়নে অংশগ্রহণের জন্য অর্থবহ সুযোগ প্রদান করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
হিন্দুস্থান সমাচার / স্নিগ্ধা / সমীপ
