ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ৯৮তম অখিল ভারতীয় মারাঠি সাহিত্য সম্মেলনের উদ্বোধনকালে ভাষার বৈচিত্র্য ও ঐক্যের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। তিনি বলেন, ভারতের ভাষাগুলির মধ্যে কোনও বৈরিতা নেই, বরং তারা একে অপরকে সমৃদ্ধ করেছে। ভাষার নামে বিভাজনের প্রচেষ্টা করা হলেও, প্রকৃতপক্ষে ভাষা আমাদের ঐক্যবদ্ধ করে। তিনি ভারতীয় ভাষাগুলোর বিকাশ ও প্রসারে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান এবং মারাঠি ভাষার ঐতিহ্য, সাহিত্য ও সংস্কৃতির ভূমিকার প্রশংসা করেন।
BulletsIn
- ভাষাগত বৈচিত্র্যের ঐক্য – ভারতের বিভিন্ন ভাষা একে অপরকে গ্রহণ ও সমৃদ্ধ করেছে, কখনোই পরস্পরের প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল না।
- ভাষার নামে বিভাজন অগ্রহণযোগ্য – ভাষার ভিত্তিতে বিভেদ তৈরির প্রচেষ্টা করা হলেও, তা সমাজের জন্য ক্ষতিকর।
- সকল ভাষার সমান গুরুত্ব – বর্তমানে দেশের প্রতিটি ভাষাকে মূলধারার ভাষা হিসেবে দেখা হচ্ছে এবং শিক্ষার প্রসারে উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
- ভারতের ভাষাগত বৈচিত্র্যের গুরুত্ব – বিশ্বের সবচেয়ে বড় ভাষাগত বৈচিত্র্য ভারতে বিদ্যমান, যা আমাদের ঐতিহ্যের পরিচায়ক।
- রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের প্রশংসা – সংঘের ১০০ বছর পূর্তি উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী এর সংস্কারমূলক ভূমিকার প্রশংসা করেন।
- মারাঠি ভাষার মর্যাদা – মারাঠি ভাষাকে ধ্রুপদী ভাষার মর্যাদা দেওয়া হয়েছে, যা ভারতের সমৃদ্ধ ভাষা ঐতিহ্যকে প্রতিফলিত করে।
- বিশ্বজুড়ে মারাঠি ভাষার বিস্তার – ভারতে ও সারা বিশ্বে প্রায় ২০ কোটি মানুষ মারাঠি ভাষায় কথা বলে।
- মারাঠি সাহিত্য ও স্বাধীনতা সংগ্রাম – মারাঠি সাহিত্য সম্মেলন শুধুমাত্র ভাষার জন্য নয়, এটি স্বাধীনতা আন্দোলনের চেতনাও বহন করে।
- মারাঠি চলচ্চিত্র ও হিন্দি ছবির সম্পর্ক – মহারাষ্ট্র ও মুম্বই হিন্দি চলচ্চিত্রের পাশাপাশি মারাঠি চলচ্চিত্রের মর্যাদা বৃদ্ধি করেছে।
- সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সংযোগ – প্রধানমন্ত্রী নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করেন যে, তিনি মারাঠি ভাষা ও ঐতিহ্যের সাথে যুক্ত হতে পেরেছেন এবং এটি ভবিষ্যত প্রজন্মের কাছেও পৌঁছানো জরুরি।
