ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় সোনিয়া গান্ধী ও রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে ইডি (প্রবর্তন অধিদফতর) চার্জশিট দাখিল করার পর কংগ্রেস যে প্রতিবাদে নেমেছে, তা নিয়ে কড়া সমালোচনা করেছেন অসম প্রদেশ বিজেপির সভাপতি ও সাংসদ দিলীপ শইকিয়া। এক প্রেস বিবৃতিতে তিনি কংগ্রেসের এই আন্দোলনকে “অতিশয় হাস্যকর” বলে আখ্যা দিয়েছেন এবং বলেছেন যে এটি বিচার ব্যবস্থার পরিপন্থী। তিনি পুরো ঘটনাপ্রবাহ, অর্থ কেলেঙ্কারি ও ইয়ং ইন্ডিয়া সংস্থার ভূমিকা তুলে ধরে কংগ্রেস নেতাদের তীব্র সমালোচনা করেছেন।
BulletsIn
-
দিলীপ শইকিয়া বলেন, ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় অভিযুক্ত সোনিয়া ও রাহুল গান্ধী বর্তমানে জামিনে রয়েছেন এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ প্রক্রিয়া চলছে।
-
গত চার বছর ধরে ইডি’র তদন্তে তাঁরা সন্তোষজনক জবাব দিতে ব্যর্থ হয়েছেন বলে দাবি করেন শইকিয়া।
-
তিনি বলেন, কংগ্রেসের প্রতিবাদ শুধু নিন্দনীয় নয়, এটি বিচার ব্যবস্থার বিরুদ্ধেও অবস্থান।
-
দিলীপ শইকিয়া অভিযোগ করেন, কংগ্রেসের নেতারা দেশের ভূমি ও তহবিল লুণ্ঠন করেছেন— যার কোন অধিকার তাদের নেই।
-
তিনি ব্যাখ্যা করেন, ২০০৮ সালে বন্ধ হয়ে যাওয়া ন্যাশনাল হেরাল্ড পত্রিকাকে কংগ্রেস ৯০ কোটি টাকা ঋণ দেয়, যা পরে ইয়ং ইন্ডিয়ার মাধ্যমে অধিগ্রহণের চেষ্টা করা হয়।
-
ইয়ং ইন্ডিয়া নামের অলাভজনক সংস্থায় সোনিয়া ও রাহুল গান্ধীর ৩৮ শতাংশ করে শেয়ার ছিল।
-
এই সংস্থা পরে অ্যাসোসিয়েটেড জার্নালস লিমিটেডের সব সম্পত্তি অধিগ্রহণ করে, যার মধ্যে দিল্লি, মুম্বাই, লখনউ, পাটনা প্রভৃতি শহরের হাজার কোটি টাকার সম্পত্তি ছিল।
-
শইকিয়া প্রশ্ন তোলেন, ইয়ং ইন্ডিয়া যদি সত্যিই অলাভজনক সংস্থা হয়ে থাকে, তবে তারা কোন সেবামূলক কাজ করেছে তা এখনও অস্পষ্ট।
-
এই মামলা ২০১৩ সালে রুজু হয়, যখন কংগ্রেস কেন্দ্রে ক্ষমতায় ছিল, তাই বিজেপি সরকারি সংস্থাকে ব্যবহার করছে এমন অভিযোগ ভিত্তিহীন।
-
শইকিয়া বলেন, জনগণ গান্ধী পরিবারের এই লুণ্ঠনকামী আচরণ মেনে নেবে না, এবং কংগ্রেসের এই আন্দোলন একেবারেই হাস্যকর ও অপ্রাসঙ্গিক।
