কিশোর সরকার
ঢাকা, ৯ নভেম্বর (হি.স) : বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্বাচন আয়োজনে ‘বদ্ধপরিকর’, সে কথা রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করার কথাও সিইসি বলেন। নির্বাচন কমিশনের সদস্যরা বৃহস্পতিবার বঙ্গভবনে গিয়ে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আহমেদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।বাংলাদেশের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সার্বিক প্রস্তুতি রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আহমেদকে অবহিত করেছে কাজী হাবিবুল আউয়াল নেতৃত্বাধীন নির্বাচন কমিশন।
বৃহস্পতিবার দুপুরে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাত করার পর বঙ্গভবন থেকে বেরিয়ে সিইসি বলেন, দ্রুত আমরা তফসিল ঘোষণা করব, কারণ সময় হয়ে গেছে। আর নির্বাচনের ব্যাপারে আমরা বলেছি, প্রথম সপ্তাহে বা দ্বিতীয় সপ্তাহে, আমরা এখনও ওই অবস্থায় আছি। আমরা বসে চূড়ান্ত যখনই করব, আপনাদের অবহিত করব।
নির্বাচন কমিশন যে সাংবিধানিক দায়িত্ব অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্বাচন আয়োজনে ‘বদ্ধপরিকর’, সে কথা রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করার কথাও সিইসি বলেন।
জাতীয় নির্বাচনের আগে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ইসির এই সাক্ষাৎ বেশ গুরুত্ব বহন করে। ভোটের তফসিল ঘোষণার আগে আগে এই সাক্ষাতের প্রথা রয়েছে।
২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বরের জাতীয় নির্বাচনের পর সংসদের প্রথম অধিবেশন বসে ৩০ জানুয়ারি। সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর বিধান অনুযায়ী এর আগে ৯০ দিনের মধ্যে ভোট হতে হবে। সেই হিসাবে গত ১ নভেম্বর নির্বাচনের ক্ষণ গণনা শুরু হয়ে গেছে। ২৯ জানুয়ারির মধ্যে নির্বাচন আয়োজনের বাধ্যবাধকতা আছে। সেজন্য নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহেই তফসিল আসতে পারে বলে এর আগে কমিশনের তরফ থেকে আভাস দেওয়া হয়েছিল।
আমরা উনাকে জানিয়েছি, আমরা নির্বাচন কমিশন, আমাদের উপর সাংবিধানিক যে দায়িত্ব আরোপিত হয়েছে, সেখানে যে বাধ্যবাধকতা রয়েছে, আমরা সে অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ে নির্ধারিত পদ্ধতিতে নির্বাচন অনুষ্ঠান করতে বদ্ধপরিকর। আমরা উনাকে বলেছি, সকল রাজনৈতিক দল সরকার এবং জনগণের সহযোগিতা কামনা করে যাচ্ছি।
হাবিবুল আউয়াল বলেন, আমরা উনাকে আশ্বস্ত করেছি, আমরা সকলের সহযোগিতায় আসন্ন জাতীয় সংসদ যে নির্বাচনে সাংবিধানিক যে বাধ্যবাধকতা, এর আলোকে যথা সময়ে নিস্পন্ন করতে সমর্থ হব।”
হিন্দুস্থান সমাচার
