টোকিও, ১ জানুয়ারি (হি.স.) : বছরের প্রথম দিনেই বড়সড় বিপর্যয় জাপানে । নতুন বছরের শুরুতেই জোরাল ভূমিকম্পে কাঁপল জাপান। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৭.৬। ভূমিকম্পের ফলে জারি হল সুনামির সতর্কতা। ইতিমধ্যেই ওয়াজিমা উপকূলে ১.২ মিটার ঢেউ ওঠা শুরু হয়েছে। ফলে ভূমিকম্পের ঠিক পরেই শুরু হয়ে গিয়েছে সুনামি।
প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, তীব্র ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে মধ্য জাপান। জানা গিয়েছে, সোমবার স্থানীয় সময় বিকেল চারটে নাগাদ প্রবল ভূমিকম্প হয় জাপানের নানা শহরে। জাপানি স্কেলের ৭এর বেশি মাত্রায় কেঁপে ওঠে দেশের পশ্চিমদিকের এলাকাগুলো। কম্পন অনুভূত হয়েছে রাজধানী টোকিও-সহ একাধিক বড় শহরে। দেশের পশ্চিম উপকূলে জারি হয়েছে সুনামি সতর্কতা। সঙ্গে সঙ্গেই উপকূলবর্তী এলাকার মানুষকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় নিরাপদ আশ্রয়ে। দেশজুড়ে জারি হয় সুনামি সতর্কতা। সমুদ্রের ঢেউ ৫ মিটার পর্যন্ত উঠতে পারে বলেও আশঙ্কা আবহাওয়া দফতরের।
জাপানের সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, ইশিকাওয়ার নোটো এলাকায় কম্পনের উৎসস্থল। তার পরে কম্পন অনুভূত হয়েছে রাজধানী টোকিও থেকে শুরু করে একাধিক বড় শহরে। ইতিমধ্যেই এক মিটার সমান উঁচু ঢেউ উঠতে শুরু হয়েছে ইশিকাওয়া এলাকার উপকূলে। সুনামি সতর্কতা জারি হয়েছে গোটা দেশে। উপকূলবর্তী এলাকাগুলোর বাসিন্দাদের বলা হয়েছে, উঁচু বাড়িতে বা অন্য এলাকায় আশ্রয় নিতে। তবে এখনও জাপানে কোনও ক্ষয়ক্ষতির খবর মেলেনি। পাশাপাশি সতর্কতা জারি হয়েছে জাপানের প্রতিবেশী দেশ কোরিয়া ও রাশিয়াতেও।
এদিন একটি কম্পনের ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়েছে সমাজমাধ্যমে।ভিডিওতে দেখা যায়, থরথর করে কাঁপছে রেল স্টেশন।
মাত্র ৪ দিন আগেই জাপানে ভূমিকম্প হয়েছিল। দেশের পূর্ব উপকূলে প্রশান্ত মহাসাগরের উপর অবস্থিত কুরলি দ্বীপ এবং সংলগ্ন এলাকা কেঁপে উঠেছিল পর পর দু’বার।কম্পনের মাত্রা ছিল যথাক্রমে ৬.৫ এবং ৫। যদিও সেসময় জারি হয়নি সুনামির সতর্কতা। কিন্তু সোমবারের কম্পনের তীব্রতা ছিল আগের চেয়েও বেশি।তাই তৈরি হয়েছে সুনামির সম্ভাবনা।
হিন্দুস্থান সমাচার / কাকলি
