দুবাই, ২৪ অক্টোবর (হি.স.) : বাংলার বাইরে ভরপুর বাঙালিয়ানা নিয়ে স্বমহিমায় ধরা দেয় শারদীয়ার আনন্দ। এই যেমন দুবাইয়ে। ‘বং কানেকশন দুবাই’ হাত ধরে মরু শহরেই যেন গড়ে উঠেছে একচিলতে পুরনো কলকাতা। একেবারে নবজাগরণের সময়। সৌজন্যে দুর্গাপুজো।
আসলে পুজো মানে তো একরাশ আবেগ আর সুখস্মৃতি। সেই আবেগ আর স্মৃতিতে ভর করেই গত ১২ বছর ধরে দুবাইয়ে দুর্গাপুজোর আয়োজন করে আসছে ‘বং কানেকশন দুবাই’ (বিসিডি)। এবার তার ব্যতিক্রম হলো না। বিসিডি-র পুজো মানে বাঙালিয়ানার উদযাপন। পুজোর কটি দিন এখানকার বাঙালিরা সকলে এক হয়ে একান্নবর্তী পরিবারের মতো সময় কাটান। ঠিক যেমন একচালার দুর্গা, সপরিবারে আসেন।
শুধু সেরা উৎসবের আনন্দ উদযাপনেই এই শারদোৎসবের আয়োজন, তেমনটা নয়। বরং আপন ঐতিহ্য, সংস্কৃতি রক্ষার দায়িত্ববোধ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মধ্যেও চারিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে থাকেন এখানকার বাঙালিরা। শিকড় থেকে অনেকটা দূরে থাকলেও তার টান যেন বজায় থাকে, সেই লক্ষ্যেই গত ১২ বছর ধরে দুর্গাপুজোর আয়োজন করছে বিসিডি।
এবছর এই পুজোর থিম – আ প্যালেস ইন ড্রিমস. ভিক্টোরিয়ান স্থাপত্যে সাজানো মণ্ডপ, করিনথিয়ান স্তম্ভ, দেবীর মুখমণ্ডলে নিও-গথিক ধাঁচ যেন কোন অতীতকালের কলকাতাকে সামনে এনে হাজির করে। আয়োজকদের বার্তা একটাই, এই থিমের মধ্যে দিয়ে তাঁরা বাংলার পুনর্জাগরণের স্বপ্ন জিইয়ে রেখেছেন। আর এই পুজোর আরেক বিশেষত্ব হল, খাঁটি দেশীয় রেসিপিতে খাওয়াদাওয়া। পঞ্চমী থেকে দশমী – এই ৬ দিনে নানারকমের খাবারের স্বাদ উপভোগ করছেন দুবাইবাসী। দক্ষিণ ভারতীয় খাবার থেকে বাঙালির জিভে জল আনা রেসিপির স্বাদে মাত সকলে। এছাড়াও রয়েছে অ্যাংলো ইন্ডিয়ান ও পার্সি খাবারের রকমারি সম্ভার।
হিন্দুস্থান সমাচার/ অশোক
