পূর্ব বর্ধমান, ৪ সেপ্টেম্বর (হি.স.) : ৬ দিন বেপাত্তা থাকার পর তালাবন্ধ ঘর থেকে উদ্ধার হয়েছে মা ও মেয়ের পচাগলা দেহ। বর্ধমানে এই হাড়হিম কাণ্ডকে কেন্দ্র করে প্রবল শোরগোল পড়েছে লক্ষ্মীপুরে। ইতিমধ্যেই দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তে অনুমান, মানসিক অবসাদের জেরেই আত্মঘাতী হয়েছেন তাঁরা। তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
জানা গিয়েছে, মৃতদের নাম শিখা ভট্টাচার্য ও তৃষা ভট্টাচার্য। গৃহকর্তা স্বপন ভট্টাচার্য আরামবাগ কলেজের প্রাক্তন অধ্যাপক ছিলেন। তাঁর মৃত্যু হয় বছর খানেক আগে। বিয়ে হয়েছিল তৃষারও। কিন্তু শ্বশুরবাড়িতে না গিয়ে তিনি মায়ের কাছেই থাকতেন। প্রতিবেশীদের দাবি, এলাকার কারও সঙ্গে মিশতেন না ওঁরা। সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ওই ভট্টাচার্য বাড়ি থেকে দুর্গন্ধ পান এলাকার বাসিন্দারা। সন্দেহ হওয়ায় সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয় থানায়। পুলিশ গিয়ে তালা ভাঙতেই ভয়ংকর দৃশ্য বিছানায় মেলে মা ও মেয়ের পচাগলা দেহ। মিলেছে সুইসাইড নোটও। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, অবসাদেই আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত। তবে তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে এলেই মৃত্যুর কারণ স্পষ্ট হবে।
হিন্দুস্থান সমাচার / অশোক সেনগুপ্ত
