সুপ্রিম কোর্টে ওয়াকফ (সংশোধন) আইন, ২০২৫–এর সাংবিধানিক বৈধতা নিয়ে একাধিক পিটিশনের শুনানি চলছে। এই আইনটি সম্প্রতি সংসদে পাস হয়েছে এবং তা চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে ১১টি আবেদন জমা পড়েছে। শুনানিতে প্রধান বিচারপতি বিআর গাভাই ও বিচারপতি অগাস্টিন জর্জ মাসিহ গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন। প্রধান বিচারপতি ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, আদালত সংসদে পাস হওয়া আইনকে সাধারণত সংবিধানসম্মত ধরে নেয়, তবে গুরুতর অসংগতি থাকলে আদালত হস্তক্ষেপ করতে পারে। শুনানিতে সিনিয়র আইনজীবীরা আইনটির কিছু ধারা নিয়ে আপত্তি জানিয়েছেন এবং এটিকে সংবিধানবিরোধী বলেছেন।
BulletsIn
-
সুপ্রিম কোর্টে ওয়াকফ (সংশোধন) আইন, ২০২৫–এর বিরুদ্ধে ১১টি পিটিশনের শুনানি চলছে।
-
শুনানিতে প্রধান বিচারপতি বিআর গাভাই বলেন, সংসদে পাশ হওয়া আইন সংবিধানসম্মত ধরে নেওয়া হয়; গুরুতর অসংগতি না থাকলে আদালত হস্তক্ষেপ করে না।
-
এই মামলায় বিচারপতি অগাস্টিন জর্জ মাসিহ প্রধান বিচারপতির সঙ্গে বেঞ্চে ছিলেন।
-
শুনানিতে তিনটি প্রধান বিষয় চিহ্নিত করা হয়েছে: ওয়াকফ জমির ব্যবহার, অমুসলিম সদস্যদের ওয়াকফ কাউন্সিলে নিয়োগ, এবং রাজ্য ওয়াকফ বোর্ড ও সরকারি জমি চিহ্নিতকরণ।
-
কেন্দ্রীয় সরকার এই তিনটি বিষয়ে প্রতিক্রিয়া দিয়ে পদক্ষেপ গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছে।
-
আবেদনকারীদের পক্ষে সিনিয়র আইনজীবী কপিল সিব্বল এবং অভিষেক মনু সিংভি যুক্তি উপস্থাপন করেন।
-
কপিল সিব্বল অভিযোগ করেন, এই আইন ওয়াকফ সম্পত্তি দখলের এক সরকারি প্রচেষ্টা।
-
সিব্বল বলেন, নতুন আইনে বলা হয়েছে, পাঁচ বছর ধরে ইসলামী রীতিতে বিশ্বাসী হলেই কেউ ওয়াকফ করতে পারবে—এটি সংবিধানবিরোধী।
-
তাঁর মতে, এখন যেকোনও গ্রাম পঞ্চায়েত বা ব্যক্তি ওয়াকফ জমি নিয়ে আপত্তি তুলতে পারবে, যার ফলে জমিটি আর ওয়াকফ থাকবে না।
-
আরও অভিযোগ করা হয়, সরকারি কর্মকর্তারা নিজেরাই বিচারকের ভূমিকায় থাকবেন, যা পক্ষপাতদুষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি করে।
