এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলার বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টে সোমবার গুরুত্বপূর্ণ শুনানি হয়। বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য আদালতে অভিযোগ করেন যে, প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতির মাধ্যমে অনেক চাকরি বেআইনিভাবে প্রদান করা হয়েছে। প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খান্না এবং বিচারপতি সঞ্জয় কুমারের বেঞ্চে মামলার শুনানিতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তুলে ধরা হয়।
BulletsIn
- বেআইনি নিয়োগের অভিযোগ: বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের দাবি, পরীক্ষায় না বসেই বহু প্রার্থী চাকরি পেয়েছেন।
- মন্ত্রীর মেয়ের উদাহরণ: তিনি অভিযোগ করেন যে, মন্ত্রীর মেয়ে বেআইনিভাবে চাকরি পেয়েছিলেন এবং আদালত তাঁকে টাকা ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল।
- ওএমআর শিটের অসঙ্গতি: রুদ্রপ্রসাদ ভট্টাচার্যের ওএমআর শিটে ২৩ নম্বর থাকলেও সার্ভারে ৫৩ নম্বর দেখানো হয়েছিল।
- প্যানেলের মেয়াদোত্তীর্ণের পর নিয়োগ: প্যানেলের সময়সীমা শেষ হওয়ার পরও দুই প্রার্থীকে চাকরির সুপারিশ করা হয়েছিল।
- প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি: বিকাশরঞ্জন অভিযোগ করেন, দুর্নীতির ধরন এমন ছিল যে, বেআইনি নিয়োগ খুঁজে বের করাও কঠিন হয়ে পড়েছে।
- জাস্টিস বাগ কমিটির রিপোর্ট: বেআইনি নিয়োগের প্রমাণ হিসাবে জাস্টিস বাগ কমিটির তথ্য আদালতে তুলে ধরা হয়।
- ৫০ কোটি টাকা উদ্ধার: মন্ত্রীর কাছ থেকে সোনা, গয়না এবং ৫০ কোটি টাকা উদ্ধার হওয়ার তথ্য তুলে ধরা হয়।
- পদের সংখ্যা ছাড়ানো নিয়োগ: ৪ ধরনের পদের ক্ষেত্রে অনুমোদিত সংখ্যার থেকেও বেশি নিয়োগ করা হয়েছে।
- নতুন নিয়োগের প্রস্তাব: পুরনো প্যানেল বাতিল করে ২০১৬ সালের পরীক্ষার্থীদের নতুন পরীক্ষায় বসানোর প্রস্তাব দেন বিকাশরঞ্জন।
- প্রধান বিচারপতির মতামত: নতুনভাবে নিয়োগ প্রক্রিয়া চালু করা জটিল হবে বলে মন্তব্য করেন প্রধান বিচারপতি।
